সময় এবং নদীর স্রোত
কারো জন্য অপেক্ষা, করে নাহ বটে
তথাপি কখনো, কখনো
কোন, কোন কবি/লেখক/ সাধক
পাঠকের, চলে যাওয়া সময়কে
নিরবে দেখার বা অনুভব করার
যথাযথ সুযোগ করে দেয়।
ইতিহাস যেমন অতীত কে জীবন্ত করে রেখেছে।
তেমনি আমাদের কর্মের ফল কোথায় নিয়ে যাবে।
সেটিও হয়তো চিন্তাশীল মানুষের দৃষ্টির বাইরে নয়।
#বিঃদ্রঃ
যদি কেউ ভেবে থাকেন ভবিষ্যতে কেউ জানেন নাহ।
তবে এই পোস্ট টি আপনার জন্য নয়।
কোথায় যাচ্ছি ফিরে ?
যেখানে ছিলাম যদি সেখানে ই হয়!
তবে অতীত না ভবিষ্যতে?
এ ভাবনায় বর্তমান নষ্ট করবেন নাহ।
কর্ম ও তকদির একসাথে চলে।
যেমন আমরা দু পায়ে মিলিয়ে হেঁটে চলি।
পথ চলায় ডান বাম মিলিয়ে ভূমিকা রাখে।
আমি আমাদের দেশের অনেক গ্রামে, শহরে
ঘুরে বেড়িয়ে আজ চল্লিশের ঘরে।
অনেক দেখেছি, আপনার মতো কাউকে দেখিনি!
বিনয়ী শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালবাসা দেয়া ছাড়া আর কিছুই দেবার নেই।
মহান সাধক
শাহ নেয়ামতউল্লাহ কাশ্মিরী রহ:
আপনি সময় নামক রহস্যময় সৃষ্টিকে
আপনার দৃষ্টিতে বন্দি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
#কাসীদায়ে_সওগাত
ইংরেজ শাসনের ক্রান্তিকালে এ কাসীদা মুসলমানদের মধ্যে মহাআলোড়ন সৃষ্টি করে। এর অসাধারণ প্রভাব লক্ষ্য করে ব্রিটিশ বড়লাট লর্ড কার্জনের শাসনামলে (১৮৯৯-১৯০৫) এ কাসীদা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।





